শুরু হলো বার্ষিক পরীক্ষা -২০২৫ খ্রি. সকল শিক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইলো। রফিকুল ইসলাম বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় দেউতি, পীরগাছা, রংপুর। তারিখ : ২০ নভেম্বর read more
জনাব মো: লোকমান হাকিম সহ সভাপতি বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক কর্মচারী ফোরাম(বাবেশিকফো), কেন্দ্রীয় কমিটি। মোঃ লোকমান হাকিম, সহকারী অধ্যাপক , আইসিটি সৈয়দপুর মহিলা মহাবিদ্যালয় , সৈয়দপুর , নীলফামারী। জেলা শিক্ষক অ্যাম্বাসেডর
কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতায় কালীগঞ্জ করিম উদ্দিন পাবলিক পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক সাফল্য: আন্তর্জাতিক মঞ্চে বাংলাদেশের উজ্জ্বল মুখ। শিক্ষাঞ্চল কালীগঞ্জ, লালমনিরহাট ২৮ নভেম্বর ২০২৫ এক গৌরবোজ্জ্বল দিনে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের নাম
লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রাম উপজেলাধীন কাউয়ামারী আপ্তার উদ্দিন প্রধান উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক মেধাবী শিক্ষার্থী মোঃ তানজিদ হোসেন ৪৬তম বিসিএস পরীক্ষায় ট্যাক্স (কর) ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত হয়েছেন। তার এই অনন্য সাফল্যে বিদ্যালয় পরিবার
“মানুষের ইতিবাচক আচরণিক পরিবর্তনই হলো শিক্ষা”—এটি শিক্ষা বা পেডাগজির (Pedagogy) অন্যতম মূল দর্শন। কেবল বইয়ের পাতা মুখস্থ করা বা পরীক্ষায় ভালো ফলাফল করাই প্রকৃত শিক্ষা নয়; বরং অর্জিত জ্ঞান যখন
অভিনন্দন! দ্যা রয়েল কমনওয়েলথ রচনা প্রতিযোগিতায় পুরস্কার অর্জন করার জন্য
‘আলোধারা’: চিন্তার জাগরণ ও আগামীর স্বপ্নবুনন
প্রিয় সুধী ও সচেতন নাগরিক সমাজ,
জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব। একটি জাতির মেরুদণ্ড যদি শিক্ষা হয়, তবে সেই মেরুদণ্ডকে সোজা করে রাখার কারিগর হলেন আমাদের শিক্ষক সমাজ, আর সেই জাতির স্বপ্নের ধারক হলো আমাদের শিক্ষার্থীরা। এই দুই শক্তির মেলবন্ধন ঘটাতেই আমাদের এই ক্ষুদ্র অথচ মহৎ প্রয়াস— ‘আলোধারা’।
আমরা বিশ্বাস করি, শিক্ষা কেবল শ্রেণিকক্ষের চার দেয়ালে বা পাঠ্যবইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়। শিক্ষা একটি বহমান নদী, একটি নিরন্তর সাধনা। ডিজিটাল এই যুগে আমরা এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করতে চেয়েছি, যা বাংলাদেশের প্রতিটি প্রান্তে ছড়িয়ে থাকা শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের জন্য একটি ‘ডিজিটাল অভয়ারণ্য’ হিসেবে কাজ করবে।
কেন আসবেন ‘আলোধারা’য়? আমাদের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য:
১. শিক্ষকের কণ্ঠস্বর: সারা দেশের নিভৃত পল্লীতে এমন অনেক গুণী শিক্ষক আছেন, যাদের উদ্ভাবনী চিন্তাধারা ও শিক্ষণ-পদ্ধতি অন্ধকারে ঢাকা পড়ে আছে। ‘আলোধারা’ হবে সেই মঞ্চ, যেখানে শিক্ষকরা তাদের গবেষণালব্ধ জ্ঞান, ক্লাসরুমের অভিজ্ঞতা এবং দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা উন্নয়নের সুচিন্তিত পরামর্শ তুলে ধরবেন।
২. বিস্মৃত নক্ষত্রদের সম্মাননা: আমাদের সমাজে এমন অনেক শিক্ষক ছিলেন এবং আছেন, যারা নীরবে মানুষ গড়ার কাজ করে গেছেন, কিন্তু প্রচারের আলোয় আসেননি। আমাদের ‘ফিরে দেখা নক্ষত্র’ বিভাগে আমরা সেইসব স্থানীয় বরেণ্য শিক্ষাবিদদের জীবন ও কর্ম ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরব, যাতে নতুন প্রজন্ম তাদের শেকড়কে চিনতে পারে।
৩. শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল বিকাশ: এটি কেবল বড়দের কথা বলার জায়গা নয়। আমাদের শিক্ষার্থীরা এখানে তাদের কাঁচা হাতের লেখা, বিজ্ঞান প্রজেক্ট, কৃষি ভাবনা কিংবা ছোট গল্প শেয়ার করতে পারবে। আমরা চাই, এখান থেকেই তৈরি হোক আগামীর লেখক, বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদ।
৪. জীবনের পাঠশালা: পুঁথিগত বিদ্যার বাইরেও জীবনকে সুন্দর করতে প্রয়োজন কৃষি, স্বাস্থ্য, প্রকৌশল, শিল্প ও সংস্কৃতির জ্ঞান। ‘আলোধারা’য় আমরা এই বিষয়গুলো নিয়ে বিশেষজ্ঞদের মতামত ও আধুনিক তথ্য উপস্থাপন করব, যা একটি স্বনির্ভর ও সুস্থ সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবে।
আপনাদের প্রতি আহ্বান:
‘আলোধারা’ কেবল একটি ওয়েবসাইট নয়, এটি একটি আন্দোলন—জ্ঞানের আন্দোলন, শেকড় সন্ধানের আন্দোলন। আমরা আপনাদের আমন্ত্রণ জানাই এই আলোর মিছিলে। আসুন, ভিজিট করুন, পড়ুন এবং আপনার সুচিন্তিত মতামত দিয়ে আমাদের সমৃদ্ধ করুন। আপনার একটি লেখা বা একটি পরামর্শ হয়তো বদলে দিতে পারে কোনো এক শিক্ষার্থীর জীবন, অথবা অনুপ্রাণিত করতে পারে কোনো হতাশ শিক্ষককে।
আসুন, সবাই মিলে ইন্টারনেটের এই বিশাল জগতে এক টুকরো পরিচ্ছন্ন ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যান গড়ে তুলি।
স্বাগতম ‘আলোধারা’য়—যেখানে জ্ঞানের আলোয় পথ চিনে নেয় আগামী।